দেবর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তাঁর। অনেকেই তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যাকশনের পথপ্রদর্শক হিসেবে মনে করেন। বলছিলাম আশির দশকের ঢালিউডের অ্যাকশন কিং জসিমের কথা। মাত্র ৪৮ বছর বয়সে তার চলে যাওয়াটা কেউ মেনে নিতে পারেন নি।
এমনকি মৃত্যুর এত বছর পরেও সেই কথা আবারও স্মরণ করিয়ে দিলেন জসিমের কলেজ ফ্রেন্ড রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ।
বন্ধু ২২ তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে জসিমের স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, ‘ঢাকা কলেজ সতীর্থ ১৯৬৭-এর আবুল খায়ের জসীম। আমরা এক ছাদের নিচে দুবছর পড়েছি। শান্তিনগরে জাপান কনসুলেেটে জাপানি উস্তাদের কাছে জসীম আর ইমতিয়াজ জুডো শিখেছিল। পরের ব্যাচে আহমদউল্লাহ, কুতুব আর আমি একই উস্তাদের কাছে শিখেছি ছমাস।’
‘১৯৬৯-এর আন্দলনের সময় আমাদের প্রশিক্ষণ বন্ধ হয়ে যায়। মুক্তিযুদ্ধের পর জসীম চলচ্চিত্র অঙ্গনে ঢুকে পড়ে। প্রথম প্রথম ভিলেনের রোল করত। প্রথম ছবি ‘দেবর’। এরপর ‘রংবাজ ছবিটি করে ও বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এই ছবিতে ও ছিলো ভিলেন এবং একই সঙ্গে মারপিট পরিচালক। জুডো যা শিখেছিল, ওটা নায়ক রাজ্জাককে শিখিয়ে নিজেই মার খেয়েছে বেশি। মাত্র ৪৮ বছর বয়সে এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে জসীম। ওর কথা প্রায়ই ভাবি। শুনেছিি তিনটি ছেলে আছে। তার আত্মার শান্তি হোক।’
উল্লেখ্য, মহিউদ্দিন আহমেদ পড়াশোনা করেন গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। দৈনিক গণকণ্ঠ-এ কাজ করেছেন প্রতিবেদক ও সহকারী সম্পাদক হিসেবে।
তার লেখা ও সম্পাদনায় দেশ ও বিদেশ থেকে বেরিয়েছে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা অনেক বই। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সুংকোংহে বিশ্ববিদ্যালয়ে “মাস্টার্স ইন এনজিও স্টাডিজ’ কোর্সের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অধ্যাপক।
সিটি২৪নিউজের ফেসবুক পেজে লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন