ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের চলতি আসর শেষে হয়েছে দেড় মাসেরও বেশি হতে চলছে। কিন্তু তারপরেও পারিশ্রমিকের একটি টাকাও বুঝে পাননি কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের চার ক্রিকেটার। এদের মধ্যে মোহামাম্দ আশরাফুলও। তবে তিনি একাই নন। বঞ্চিতদের এই তালিকা আরও আছেন একই ক্লাবের সঞ্জিত সাহা দ্বীপ, আবু বকর অনীক ও জসীম উদ্দিন।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্লেয়ার্স ড্রাফটে ‘এ’ গ্রেডের আশরাফুলের পাওনা ১৮ লাখ টাকা। লিগের শুরুতে প্রাপ্ত টাকার ৫০ শতাংশ বিসিবিতে জমা রেখেছিলেন। পরে টাকা তুলতে গেলে জানতে পারেন ক্লাব অবনমনে চলে যাওয়ায় তার পারিশ্রমিক কমে এসেছে। পরিবর্তিত পারিশ্রমিক পাবেন ১৫ লাখ টাকা।
কলাবাগান ক্রিকেট ক্লাবের কাছে মোহাম্মদ আশরাফুলের পাওনা নেহায়েৎ কম নয়। ১৮ লাখ টাকা। ক্লাব কর্তৃপক্ষের টালবাহানায় প্রিমিয়ার লিগ শেষের দেড় মাস পরেও যা তিনি বুঝে পাননি। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাশে থাকায় পাওনা হাতে পাওয়া নিয়ে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন নন।
কেননা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে প্লেয়ার বাই চয়েস পদ্ধতির নিয়মানুযায়ী যদি কোনো ক্লাব তার প্লেয়ারকে চুক্তির টাকা পরিশোধ না করে তাহলে সেই প্লেয়ারের পাওনা মিটিয়ে দেয়ার দায়িত্ব নেবে বিসিবি। সেটা ক্লাব কর্তৃপক্ষকে চাপ দিয়ে হোক কিংবা সমঝোতার মাধ্যমে।
সেজন্যই তিনি এতটা নির্ভার। এ নিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ড প্লেয়ার বাই চয়েস করে দিয়েছে তাই আমাদের কিছুই বলার নেই। ক্লাব কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের টাকা না দেয় তাহলে বোর্ড দিবে, তাই টেনশন করছি না। বোর্ড না দিলে টেনশন হতো।’
দেশের ক্রিকেটের এমন স্বর্ণ সময়ে প্লেয়ারদের পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে কলাবাগান ক্লাব কর্তৃপক্ষের গরিমসিতে তাদের ধান্দাবাজ বলে আখ্যা দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ এই টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান।
‘ক্লাব অফিসিয়ালদের যদি এমন ধান্দাবাজি মনোভাব থাকে যে, হারলে টাকা দিব না এটা খুবই দুঃখজনক। এবং আমাদের ক্রিকেটের উন্নতির পরিপন্থি।’-যোগ করেন তিনি।
সিটি২৪নিউজের ফেসবুক পেজে লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন